অভিমান মুভি লিংক | অভিমান মুভি জিৎ ফুল মুভি

অভিমান মুভি লিংক পেতে চাইলে আজকের পোষ্ট সম্পূর্ণ পড়ুন। রাজ চক্রবর্তী পরিচালনায় তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। যেখানে জিৎ , শুভশ্রী এবং সায়ন্তিকা অভিনয় করেছে। আর আমরা সেই সিনেমার বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করতে চলেছি নিচে।

অভিমান মুভি লিংক

জিৎের এই সিনেমাটি একটি তেলুগু ছবিক নকল করা হয়েছে। পুনঃ নির্মাণ করা হলেও সিনেমাটি খুব ভালোভাবে সাজানো হয়েছে। ২০১৬ সালের ৬ অক্টোবর সারা ভারতে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এবং তারপর থেকে সাড়া মেলে ভারতে। তারপর এই ডিসেম্বর মাসে তা দেশ পেরিয়ে বিদেশে পৌঁছায়। ২০১৬ সালের ৩০শে ডিসেম্বর মুক্তি প্রায় সারা বিশ্বে অভিমান মুভি। এবং তারপরে সিনেমাটি আরো বেশি উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে পরিণত হয়। তবে এত বেশি কিছু থাকলেও সিনেমাটি ভালো প্রফিট করতে পারেনি।

যেহেতু এটা একটা ডুপ্লিকেট ছবি সেহেতু মানুষ বেশি আগ্রহ দেখাবে না যা বাস্তব কথা। প্রচুর খরচ করা হয়েছে সিনেমাটির উপর তবে মাত্র 4.60 কোটি টাকায় ইনকাম করতে পেরেছে। সিনেমাটির সময় হচ্ছে ১৩৬ মিনিট।

অভিমান মুভি জিৎ ফুল মুভি

মূলত এই সিনেমাটিতে জিৎ একটি ড্রাইভার সেজে যায়। তবে সে ছিল বিশ্বের অন্যতম একজন ধনী ব্যক্তির নাতি। তবে এই গল্পটিতে আগে কি হয়েছিল তা আমি আপনাদেরকে পরে জানাচ্ছি। কেননা সিনেমা অনুযায়ী মূলত যা আগে ঘটেছিল তা পরে জানানো হয়েছে।

সর্বপ্রথম জিৎ তার বুয়ার বাসাতে আসে কিন্তু সে মূলত চাকর সেজে আছে। তার বুয়া মূলত তাদের উপর অনেক রেগে ছিল। কেননা তার বুয়া এবং আরেকটা ছেলে একসঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেছিল। কিন্তু সেই ছেলে এখন বুড়া ব্যবসায়ী। সে মূলত অনেক বড় একটি হোটেল চালায়। তবে জিতের দাদু ছিল অনেক বড় একজন ধনী ব্যবসায়ী। এর কাছে এই হোটেল ওয়ালার খেলা খতম। আর এই কারণেই মূলত ব্যবসায়ী দাদু তার মেয়েকে এবং লোকের কাছে বিয়ে দিতে চাইছিল না।

সেই সময় মূলত তারা চলে এসেছিল এবং জিপ তাদেরকে নিতে এসেছিল। কেননা তার দাদুর শেষ ইচ্ছে ছিল যে সে মারা যাওয়ার আগে তার মেয়েকে একবার দেখবে। এ সময় জিতকে সর্বপ্রথম ড্রাইভার এর একটি কাজ করতে হয়। তবে সেই কাজটি করার পূর্বেও তাকে মূলত বাঁচাতে হয় তার কাকাকে।

এক সময় মূলত যখন জিৎ ফ্লাইট করে আসে তখন তার সাথে প্রচুর সিকিউরিটি আসে। সে সময়টিতে মূলত জিৎ একটি ছদ্মবেশ ধরে সেই লোকটিকে বাঁচায়। এবং তারপরে সেই লোকটিকে বাঁচানো হলে তাকে হসপিটালে নিয়ে যায় এবং তারপরে তার গাড়িটি কিনে নাই ড্রাইভারের থেকে। কয়েক কোটি টাকা দিয়েছিল বলে সে ড্রাইভার দোকান থেকে চলে যায়। তারপরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে ড্রাইভার এর চাকরি দেয় তার বুয়া এবং তার কাকা।

অভিমান মুভি Download

তার বুয়ার একটি মেয়ে ছিল যে সব সময় অনেক রেগে থাকবে। আর সে কারণে মূলত সে এই ছেলেটিকে অর্থাৎ জিৎকে চাকরি দিতে মানা করছিল। তবে তার আরো একটি মেয়ে ছিল যে মূলত জিতকে অনেক পছন্দ করে ফেলেছিল। পরের ঘটনা জানতে পারবেন কে আসলে জিতের বউ হবে।

এরপরে মূলত জিৎ তাদের নিয়ে একদিন একটি পার্টিতে যাচ্ছিল। সে সময় মূলত তারা জামা চেঞ্জ করতে চাচ্ছিল। এ সময় জিৎ ড্রাইভিং করতে থাকে এবং গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়। পৌঁছানোর পরে দেখতে পাই যে তারা জামা অন্যরকম পড়ে চলেছে। এটা দেখে সে অবাক হয় এবং তাদের জিজ্ঞাসা করে ব্যাপারটা নিয়ে। এরপরে অন্য মেয়েটি ভালো বলে সে তাকে বলে আমরা বুদ্ধি খাটিয়ে জামা বদলি ফেলেছি। আর অন্য মেয়েটি যা বলে তা তো বলার মত নয়।

এরপরে তারা পার্টিতে যায় এবং পার্টি থেকে বের হয়। তারপর তারা একসাথে বাসাতে যায় এবং বাসাতে গিয়ে দেখতে পারে তার বুয়া অনেক কষ্টে আছে। এরপরে জিৎ জানতে পারে যে তাদের হোটেলে একটা লোক গিয়ে হয়রানি করছে। এমন সময় মূলত যে চলে আসে এবং তারপরে সেই লোকগুলোকে ভয় দেখায়।

তারপরে তার কথা না মানলে তারা মূলত হোম মিনিস্টারকে ফোন দেয়। হোম মিনিস্টারকে ফোন দিলে হোম মিনিস্টার মূলত তাদেরকে জানাই সে অনেক বড়লোক ব্যক্তি এবং তার সাথে ঝগড়া না করতে। এবং অনেক ভয় পায় তাকে দেখে এবং তারপরে মূলত লোকগুলো চলে যায়। এরপরে সবাই অনেক খুশি হয়।

অভিমান মুভি ডাউনলোড

মূলত এক সময় যে মেয়েটি জিদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছিল সে অনেক তাকে পছন্দ করে ফেলে। এবং এতটাই পছন্দ করে যে জিৎ ও তাকে পছন্দ করে ফেলে। তারা একসাথে মূলত বিয়ে করতে চলে যায়। পালিয়ে তারা বিয়ে করতে চলে যায় এবং একটা ট্রেন স্টেশনে চলে যায়। এরপরে রেল স্টেশনে যাওয়ার পরে জিৎ মূলত তার বডিগার্ডদের পুরো রেলস্টেশন ফাঁকা করতে বলে। এবং তখন মেয়েটি মূলত বলছিল যে তার গহনা বিক্রি করে এক বছর চালাবে। কিন্তু সে জানতো না যে জিত কত ধনী একজন ব্যক্তি।

এরপরে মূলত পুরো স্টেশন খালি করে দেয় এবং মেয়েটি তাকে বলে তুমি কি মূলত প্লেনে করে যাবে। এরপরে তার বডিগার্ড বলে প্লেনে করে কেন যাবে তার তো নিজেরই প্রাইভেট প্লেন আছে। এর পরে কথাটি শুনে মূলত নায়িকা অনেক বই এর মানে অবাক হয়ে ওঠে। এবং তারপরে মূলত এ সময় তার মা-বাবা চলে আসে। তখন সে সময় মূলত জিভকে তারা মারতে চায়।

এবং তখনই সে বলে ,” মারো না কেন মারবে না। তোমাদেরও তো এভাবে মেরে ছিল দাদু। তখন তো তোমরা দাঁড়াওনি। এখন তো তোমরা চলে গেছিলে।” এরপরে কাকি এবং তার কাকা বুঝতে পারে যে এটা হচ্ছে তার সেই আদরের ভাতিজা। তারপরে মূলত তারা একসাথে সম্পর্কে লিখতে হয়। এবং তাদের দাদুকে দেখতে চাই এবং তখন দাদু ভালো হয়ে যায়। তারপর সবাই মিলে একসঙ্গে ব্যবসা এবং নিজেদের সম্পর্ক বজায় রাখে। তাহলে চলুন এবার সেই আগেকার কাহিনী জানা যাক যে সময়টিতে মূলত তার কাকা এবং কাকী চলে গেছিল।

অভিমান মুভি ডাউনলোড লিংক

মূলত যখন তারা গেছিল বাড়ি থেকে তখন রাগের মাথায় তার দাদু বন্দুকের গুলি বের করতে লাগল একজন হাত নাড়িয়ে দেয়। সে সময় জিতের মায়ের গায়ে লুকিয়ে সে সাথে সাথেই মারা যায়। আবার একটি গুলি আবার হাত নাড়িয়ে দিলে তার বাবার গায়ে লেগে সেও মারা যায়। এভাবে পরিবারের সবাই মারা গিয়ে নিঃস্ব হয়ে ওঠে জিৎ। তখন মূলত সে আর দাদু একাই বাড়িতে ছিল।

সেই সময়টিতে তার বুয়া মূলত বাড়ি থেকে চলে গেলে সে অনেক বেশি পরিমাণে দুঃখী হয়ে ওঠে। কেননা তার বুয়া ছিল তার একমাত্র সঙ্গী যে মূলত তাকে সব সময় খাইয়ে দিতো। আর যত্ন রাখত এবং তার সাথে সবসময় থাকতো। এরপরে যখন তার বুয়া চলে যায় তখন বিষয়টি জিৎ মেনে নিতে পারে না। তবে এর জিৎ এবং তার দাদু মিলে ব্যবসা চালাতে থাকে। এবং তারপরে তাদের ব্যবসা অনেক পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।

কিন্তু তার দাদুর শখ ছিল মরার পূর্বে তার মেয়েকে দেখবে। এইজন্যই মূলত জিৎ এসেছিল যাতে করে তার বুয়াকে সে নিয়ে যেতে পারে। এরপরে যখন তার মেয়ে তার কাছে ফিরে যায় তখন সে সুস্থ হয়ে ওঠে। এ ছাড়া তার বুয়া এসব কাহিনী শুনে অনেক কষ্ট পেয়েছিল।

Movie Link

শেষ কথা: আশা করি আজকের পোষ্টের মাঝে আপনি গোটা সিনেমার গল্প কাহিনী জানতে পেরেছেন। আর সিনেমাটি ডাউনলোড করতে হলে উপরে একটি লিঙ্ক দেওয়া হয়েছে সেটি কপি করে পেস্ট করে দিলে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর সেই লিংক মূলত আপনাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে গুগল ড্রাইভে। দেরি না করে এখনি সেখানে ক্লিক করে কপি করে পেস্ট করে দিবেন এবং ডাউনলোড করে নিবেন সিনেমাটি।

Leave a Comment